শিরোনাম :
নরসিংদীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ বিষয়ক র‍্যালি ও দিনব্যাপী সেমিনার নরসিংদীতে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের মেরাথন: অংশ নিবে দেশ বিদেশের ২ হাজার দৌড়বিদ নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২৫ অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে ফিড মিলের পানি নিষ্কাশন অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় পুলিশ দিয়ে কৃষক হয়রানি! প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ নরসিংদীতে অসহায় মানুষের মাঝে সাবেক কাউন্সিলর বাবু’র ঈদ উপহার বিতরণ ধবংসস্তূপ থেকে দেশকে পূনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন তারেক রহমান -খায়রুল কবির খোকন খাল খনন কর্মসূচি বর্ষাকালে শতভাগ কাজে আসবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পলাশে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নরসিংদীর রাজপথ থেকে সংরক্ষিত আসনে আলোচনা রয়েছেন চারবারের এমপির পুত্রবধূ স্বপ্না আহমেদ হাসপাতালে কাউকে দালালি করতে দেব না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

নরসিংদীর পাঁচ আসনে ৪১ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

স্টাফ রিপোর্টার / ১৮২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী জেলার পাঁচটি আসনে বড় ধরনের বার্তা দিয়েছেন ভোটাররা। ৪১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনই হারিয়েছেন জামানত। নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এ তথ্য। সবকটি আসনেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি— যা জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
নরসিংদীর ৫টি সংসদীয় আসনের নির্বাচনের মাঠে ছিল মোট ৪১ প্রার্থী। কিন্তু ভোটের ফল বলছে, তাদের বড় একটি অংশই ভোটারদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। নরসিংদী-১ সদর আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন, নরসিংদী-২ পলাশে তিনজন, নরসিংদী-৩ শিবপুরে পাঁচজন, নরসিংদী-৪ মনোহরদী-বেলাবোতে সাতজন এবং নরসিংদী-৫ রায়পুরায় ছয়জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী আইনে বলা আছে— কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ, অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজেয়াপ্ত হয় জামানত। এবারের নির্বাচনে সেই শর্ত পূরণ করতে পারেননি অধিকাংশ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।
রাজনীতিবিদ ও ভোটাররা বলছেন, এই ফলাফল শুধু পরাজয় নয়— এটি জনসম্পৃক্ততার এক স্পষ্ট সূচক। যেসব প্রার্থীর সঙ্গে এলাকার মানুষের নিয়মিত যোগাযোগ নেই, যারা শুধুমাত্র নির্বাচনের সময় দৃশ্যমান হন, ভোটাররা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন ব্যালটের মাধ্যমে।
জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, সংসদ নির্বাচন একটি গুরুতর দায়িত্বের বিষয়। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা, সততা ও সামাজিক সম্পৃক্ততাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাদের মতে, জনগণ এখন আরও সচেতন— তারা যাচাই-বাছাই করেই ভোট দিচ্ছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানায়, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। আইনের বিধান অনুযায়ী ন্যূনতম ভোট না পেলে সেই টাকা বাজেয়াপ্ত হয়।
নরসিংদীর পাঁচটি আসনের ফলাফল প্রমাণ করে— শুধু প্রতীক নয়, ভোটাররা এখন কাজ, উপস্থিতি আর বিশ্বাসযোগ্যতার মূল্যায়ন করছেন। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীদের জন্য এটি যেমন সতর্কবার্তা, তেমনি ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্যও একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত— জনগণের আস্থা অর্জনই শেষ কথা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category